Md Abu Sayed
প্রকাশ : Mar 14, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

নানা আয়োজনে সারাদেশে পালন হচ্ছে বিশ্ব ডিম দিবস

বিশ্ব খাদ্যব্যবস্থায় প্রোটিন অন্যতম অপরিহার্য উপাদান। এক্ষেত্রে ডিমকে বলা হয় সবচেয়ে সহজলভ্য, সাশ্রয়ী ও পুষ্টিকর উৎস। মানবজাতির সুস্বাস্থ্য, শিশুর বৃদ্ধি ও মস্তিষ্কের বিকাশে ডিমের গুরুত্ব অপরিসীম। ডিমকে বিশ্বে একটি উন্নতমানের ও সহজলভ্য আমিষজাতীয় খাদ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে ১৯৬৪ সালে যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল এগ কমিশন (আইইসি) গঠিত হয়। বর্তমানে এই সংস্থার সদস্য সংখ্যা ৮০। সংস্থাটি প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ, স্বাস্থ্যবান ও মেধাবী জাতি গঠন এবং সর্বোপরি ডিমের গুণাগুণ সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ১৯৯৬ সালে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় প্রথম ‘বিশ্ব ডিম দিবস’ আয়োজন করে, যা পরবর্তী সময়ে প্রতি বছর অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় শুক্রবার বিশ্বব্যাপী পালিত হয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ বাংলাদেশেও পালিত হচ্ছে বিশ্ব ডিম দিবস। এ বছর বিশ্ব ডিম দিবসের প্রতিপাদ্য ‘শক্তিশালী ডিম- প্রাকৃতিক পুষ্টিতে ভরপুর’-প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাষ্ট্রিজ কেন্দ্রীয় কাউন্সিল (বিপিআইসিসি) এবং ওয়াপসা-বিবি যৌথভাবে বিশ্ব ডিম দিবস-২০২৫ পালন করছে। বিশ্ব ডিম দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য হলো- বিশ্বজুড়ে মানুষকে ডিমের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সচেতন করা, সাশ্রয়ী মূল্যে উচ্চমানের প্রোটিন ও অপরিহার্য পুষ্টি সরবরাহে ডিমের ভূমিকা তুলে ধরা এবং সব বয়স ও শ্রেণির মানুষের খাদ্য তালিকায় ডিমকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা।

ডিম সুস্বাদু আর সহজলভ্য এক খাবার, যাকে একটি পরিপূর্ণ খাবার হিসেবে গণ্য করা হয় । এতে রয়েছে আমাদের শরীরের জন্য অতি প্রয়োজনীয় ১৩টি পুষ্টিগুণ। ডিম সাশ্রয়ী মূল্যে প্রাণিজ প্রোটিনের মধ্যে অন্যতম। ডিমকে বলা হয় ‘গরিবের প্রোটিন’। আবার টেকসই প্রাণিজ প্রোটিনের মধ্যে এর স্থান সবার উপরে।এজন্য একে ‘নিউট্রিয়েন্ট পিল’ বলেও অভিহিত করা হয়। ডিমে থাকা উচ্চমানের প্রোটিন, ভিটামিন, খনিজ ও অ্যামিনো অ্যাসিড শরীরের সুষম বিকাশে অপরিহার্য ভূমিকা রাখে। এটি শুধু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে না, বরং মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা ও মনোযোগ বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে। তাই দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় ডিমকে যুক্ত করা মানে এক সহজলভ্য ও প্রাকৃতিক পুষ্টির উৎস নিশ্চিত করা।

বর্তমানে বাংলাদেশে অপুষ্টির হার, মা ও নবজাতকের মৃত্যু হার কমেছে। পাঁচ বছরের কম বয়সের শিশুদের মধ্যে খর্বাকায় ও কম ওজনের শিশুর সংখ্যাও কমেছে। এর বিপরীতে মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে। আজ থেকে ৩০-৪০ বছর আগে আমাদের দেশে মাথাপিছু ডিম খাওয়ার সংখ্যা ছিল বছরে গড়ে মাত্র ১০ থেকে ১৫টি। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী বর্তমানে এ সংখ্যা ১৩৭টি। দেশে দৈনিক ডিম উৎপাদিত হচ্ছে বছরে প্রায় ৬ কোটি ৬৮ লাখ। ২০৩১ সাল নাগাদ ডিম খাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বছরে জনপ্রতি ১৬৫টি।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

লক্ষ্মীপুরে ঘরে ঢুকে মা-মেয়েকে হ'ত্যা

1

রোহিতের অধিনায়কত্ব কেড়ে নেওয়া নিয়ে সৌরভ, ‘আমার সঙ্গেও হয়েছে,

2

রাজধানীর নিউমার্কেট ও পল্লবী এলাকায় পুলিশের বিশেষ অভিযান, গ্

3

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ৯৬তম বিএমএ কোর্স, আবেদনের সুযোগ যাদের

4

New trick for job seekers to fool ChatGP

5

Advisor Farida wants direct voting for reserved women's seat

6

Journalist Ruhul Amin Gazi will be a symbol of protest

7

পিএসসির লিখিত পরীক্ষার তারিখ ও সময়সূচি প্রকাশ, মোট পরীক্ষার

8

স্থাপনা পোড়ানোর দায় চাপানো হয় আন্দোলনকারীদের ওপর

9

চকরিয়ার বাসা থেকে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ, রোহিঙ্গা শিবির থেকে উ

10

গয়না হাতিয়ে নিতে দাদিকে হত্যা করেন নাতনি

11

বাসিন্দাদের চোখের সামনেই বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি ও ফসলি জমি

12

Salman's co-star in 'Tiger 3' Barinder passes away

13

রাজধানীতে বাসা ভাড়া নেওয়ার কথা বলে মুঠোফোন চুরি করা চক্রের ত

14

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীন পটুয়াখালীতে চাকরি, পদ ৭৪

15

Who wrote the news—human or AI, how does that change credibi

16

কমিউনিকেশনসে ভবিষ্যতে কি ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব

17

11 banks including Sonali-Agrani-Krishi-Rupali will recruit

18

Google's five Nobel laureates: Sundar Pichai proud of collea

19

Is it possible to build a career in communications in the fu

20